কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় মোবাইলে চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে ওমর ফারুক নামে এক যুবক মারা গেছে। আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের মিয়াজির পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যুতায়িতের ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুতুবদিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত ডাক্তার জুনাইদ আনছারী তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত যুবক একই এলাকার মোহাম্মদ আকতার হোছাইনের পুত্র। সে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেছে। প্রত্যক্ষদর্শী অটোরিকশা চালক মো. আজিজ বলেন, দুপুরে মধ্যম কৈয়ারবিল আবদুল খালেকের মালিকানাধীন অটোরিকশা চার্জ ঘরে মোবাইল চার্জ দেওয়ার জন্য ডুকে, কিছুক্ষণ পর আমি গাড়ি বের করার জন্য ভেতরে গিয়ে দেখি সে মাটিতে পড়ে আছে। ফারুক ২০২১ সালে কুতুবদিয়া আইল্যান্ড হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং ২০২৩ সালে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি শেষ করেন। কুতুবদিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইসরাফিল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মো. ওমর ফারুক মারা হয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়ে...
কুতুবদিয়া 'অক্টোবর ট্র্যাজেডি'র আজ ২৯ তম বর্ষপূর্তি। সেদিন ছিলো রবিবার। ১৬ অক্টোবর, ১৯৯৪। আমি সকালে কুতুবদিয়া থেকে মাত্র কক্সবাজারে এসেছি। বিকালের দিকে একটি ফোন পেলাম 'কুতুবদিয়া চ্যানেলে বরযাত্রী বোঝাই একটি ইঞ্জিন বোট ডুবে গেছে।' আমার গ্রামের বাড়ি কুতুবদিয়ায় হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠলো। আরো বিস্তারিত জানার জন্যে কুতুবদিয়া টেলিফোন অফিসে যোগাযোগ করলাম। জানলাম, দুপুর একটা'র দিকে কুতুবদিয়া চ্যানেলের উজানটিয়ার মুখে যাত্রীবাহী লঞ্চটি ডুবে যায় । মাতবর বাড়ীর বরযাত্রী নিয়ে এটি মাতারবাড়ী কনে বাড়ীতে যাচ্ছিল। ঘটনার আকস্মিকতায় এবং কোনরকম জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম না থাকায় খুব কম সময়ের ব্যবধানে নিভে যায় বেশ কিছু জীবন প্রদীপ। খবরটি সাথে সাথেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হয়ে আসে। ভয়েস অব আমেরিকা, বিবিসি, বাংলাদেশ টেলিভিশন এ' দুর্ঘটনার খবর বেশ গুরুত্ব সহকারে প্রচার করে। দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে শোকবার্তা প্রেরণ করেন এবং যথাসম্ভব সাহায্যের জন্যে জেলা প্রশাসনের প্রতি নির্দেশ দেন। এ...
(১) রাজশাহী শহরটাকে আমার কেমন যেন নিরীহ নিরীহ লাগে। পুরো শহরজুড়ে কোথাও কোন ফ্লাইওভার নেই, ঢাকা শহরের মতোন যানজট নেই, ট্রাফিক নেই। একটা থানা শহরের চেহারা যেমন হয় সাধারণত, রাজশাহী শহর ঠিক তেমনই— ফাঁকা ফাঁকা। রাজশাহী শহরে প্রথম এসেছিলাম ২০১৮ সালে। বিয়ের কথাবার্তা বলার জন্যে। সেবারও মনে হয়েছিলো শহরটা কেমন যেন নিরীহ, গোবেচারা ধরণের। ঘরের একেবারে ভদ্র ছেলেটি যেমন হয়— কাজে-কর্মে নিপুণ, কিন্তু খুব বেশি আহ্লাদি নয়। মাছ-মাংশের চাহিদা নেই, শাক পাতা দিয়েই তার দিব্যি ভরপেট খাওয়া হয়ে যায়। রাজশাহী শহরও তেমনই। কাজের কাজ তারা সব করে, কিন্তু মাথার ওপরে ফ্লাইওভার নেই বলে, বহুতল ভবনে তার আকাশ ছেঁয়ে যায়নি বলে, রাস্তায় যেখানে সেখানে যানজট নেই বলে তার কোন মাথাব্যথা নেই, হাউকাউ নেই। ঘরের নিপাট, ভদ্র ছেলেটি। এদিক থেকে দেখতে গেলে ঢাকা শহরের সাঁই সাঁই উন্নতি হয়েছে। মাথার ওপরে একগাদা ফ্লাইওভার গজিয়েছে, রাস্তার নিচে গাড়িগুলো শুরু করেছে আমরণ অনশন। মহাখালিতে জ্যামে আটকে উত্তরা পৌঁছাতে গেলে তো জীবন যৌবন সব ফুরিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। তারপরও ঢাকা শহরের উন্নতি হয়েছে। আকাশ ছোঁয়া দালান হচ্ছে চারদিকে। রাত হলে নগরী আরো জ...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন